আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে শুরু হওয়া বাংলাদেশের তদন্ত এখন কোন অবস্থায় আছে? বাংলাদেশ কি এখনও তাঁর প্রত্যর্পণ চায়? না চাইলে সেই সিদ্ধান্ত কখন এবং কেন পরিবর্তিত হয়েছে? প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ পূর্বনির্ধারিত ছিল, নাকি ঘটনাচক্রে হয়েছিল? যদি কেবল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়ে থাকে, তাহলে কতক্ষণ তা স্থায়ী হয়েছিল? সেখানে শ্রমিক নিয়োগ, Bestinet, FWCMS কিংবা TURAP নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছিল কি না?
আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে শুরু হওয়া বাংলাদেশের তদন্ত এখন কোন অবস্থায় আছে? বাংলাদেশ কি এখনও তাঁর প্রত্যর্পণ চায়? না চাইলে সেই সিদ্ধান্ত কখন এবং কেন পরিবর্তিত হয়েছে? প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ পূর্বনির্ধারিত ছিল, নাকি ঘটনাচক্রে হয়েছিল? যদি কেবল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়ে থাকে, তাহলে কতক্ষণ তা স্থায়ী হয়েছিল? সেখানে শ্রমিক নিয়োগ, Bestinet, FWCMS কিংবা TURAP নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছিল কি না?
বীণা সিক্রিরা বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সমমর্যাদার প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত নন। তাদের কূটনৈতিক চিন্তার গভীরে এখনো সেই পুরোনো মনিবসুলভ ধারণা—দিল্লি কথা বলবে, ঢাকা শুনবে; দিল্লি সিদ্ধান্ত নেবে, বাংলাদেশ মানবে।
শুধু শত শত কোটি ডলারের পশ্চিমা অস্ত্র কিনে একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ দেওয়া কিংবা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নয়। একবিংশ শতাব্দীতে মধ্যপ্রাচ্য ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোকে টিকে থাকতে হলে নিজস্ব সামরিক শক্তি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং যৌথ অস্ত্র প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে।
তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রীদের অনেকের আচরণেও একই ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতায় এসেই কেউ কেউ বেসামাল আচরণ করছেন, কেউ বেফাঁস মন্তব্য করছেন, কেউ আবার জনঅসন্তোষকে অস্বীকার করে এমন আত্মতুষ্টির ভাষায় কথা বলছেন—যে ভাষার সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ গত দেড় দশকে খুব ভালোভাবেই পরিচিত হয়েছে।
অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর রাজনীতি, আদর্শ ও ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য অব্যাহত থাকবেই। সেই অনিবার্য পার্থক্য মেনে নিয়েই একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্বের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।
অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্য ক্রমেই আরও গভীরভাবে হবসের সেই ভয়াবহ বাস্তবতার দিকে এগিয়ে যাবে—
সবার বিরুদ্ধে সবার যুদ্ধ।
জুলাই শুরু হয়েছিল আরও অনেক আগে—আবাসিক হলের বন্ধ কক্ষের ভেতরে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের পোস্টারে, অপেক্ষমাণ মায়েদের চোখে, নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে, নীরব সংবাদপত্রে, ফিসফিস করে বলা ফোনালাপে এবং সেই সাধারণ উপলব্ধিতে যে, আইনের সুরক্ষার ভেতর থেকেও একজন নাগরিক যেকোনো সময় উধাও হয়ে যেতে পারেন।